Showing posts with label Life Style. Show all posts
Showing posts with label Life Style. Show all posts

সতেজ থাকতে সবুজ শাক-সবজি খান



কে চায় না? সুস্থ, সুন্দর, স্লিম আকর্ষণীয় ফিগার ।  এই সুস্থ দেহের মূলমন্ত্র হল সঠিক খাবার। তাই সবুজ শাক-পাতা খেয়ে খুব সহজেই আপনি ধরে রাখতে পারেন আপনার তারুণ্য। সবুজ শাক-পাতাই রয়েছে প্রছুর পরিমানে ভিটামিন সি, ই, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, বিটা-ক্যারোটিন, অ্যান্টি -অক্সিডেন্ট সহ অনেক উপাদান৷ bdwrite.com পক্ষ থেকে আজ থাকছে নানা রকম সবজির গুণাগুণের কথা। চলুন শরু করি...
পালং শাক
পালং শাক

পালং শাকের উপকারিতার কথা বলার আর অপেক্ষা রাখে না৷ ২০১৪ সালে সুইডিশ গবেষকদের করা এক তথ্য থেকে জানিয়েছে  যে, পালং শাক ওজন কমাতে সহায়তা  করে৷ এর আঁশ, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম – যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও, উচ্চ রক্তচাপ কমিয়ে পেশিকে শক্ত করে রক্তের ঘনত্ব কমাতেও সহায়তা করে৷ পালং শাক সেদ্ধ, স্যুপ বা স্মুদি বানিয়ে খাওয়া যায়৷ সঙ্গে রসুন, লেবু বা আদা দিলে স্বাদ ও বাড়ে, উপকারও অনেক গুনে বেরে যায় ৷ 

শসা

গরমের দিন আসলে শরীরকে ঠান্ডা করতে শসার জুড়ি নেই, কারণ শসায় রয়েছে শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ পানি৷ তাই পুষ্টিবিদরা গরম কালে বেশি বেশি করে শসা খেতে বলেন৷ শসায় খুবই অল্প পরিমানে ক্যালোরি থাকে,শসা শুধু শরীরকেই হালকা-পাতলা রাখে না, শসার মাস্ক বা স্লাইস করা শসা ত্বককে করে স্নিগ্ধ আর সুন্দর৷ শসা অনেক ভাবে খওয়া যায়৷ প্রচণ্ড গরমে শসার কুচি ঠান্ডা পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে তা পান করলে শরীর জুড়িয়ে যায়। 
সবুজ ফুলকপি

সবুজ বা সবুজ রং-এর ফুলের মতো দেখতে এই সবজি ভাজি খেতে খুবই মজা ।  জার্মানির হাইডেলব্যার্গ বিশ্ববিদ্যালয় ক্লিনিকের গবেষক ইনগ্রিড হ্যার  তথ্য দিয়েছে ফুলকপির  মধ্যে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা ক্যনসারের টিউমার দমন করে৷  শুধু তাই নয়, ব্রকোলি হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমায়৷ এছাড়া ডায়বেটিস রোগীদের জন্যও দারুণ উপকারি হল ফুলকপি ৷
পুদিনা পাতা
পুদিনা পাতা

 কাউকে আর আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই, ভেষজ উদ্ভিদ পুদিনা পাতার গুণের কথা ৷ হাজারো বছর ধরে এই পাতা ব্যবহার হয়ে আসছে গ্যাসট্রিক, পেটের সমস্যা বা ত্বকের অনেক সমস্যায় ৷ নারীদের সৌন্দর্যচর্চায় পুদিনার পাতা খুবই পরিচিত৷ পুদিনা পাতার রস, চা, চাটনি ইউরোপেও আজকাল বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ৷ সবুজ ঔষধি পুদিনা পাতা খেয়ে শরীর ও ত্বককে সতেজ রাখুন৷ বিশেস  যত্ন ছাড়াই পুদিনা গাছ বাগান, টব বা পানিতে হয়৷
বরবটি

 বরবটিতে রয়েছে প্রচুর আঁশ, আয়রন, প্রোটিন,  ক্যালশিয়াম ও শর্করা – মানে প্রচুর পরিমানে পুষ্টি গুণ৷ এই কারণে ডায়বেটিস রোগীদের জন্যও বরবটি অনেক উপকারি৷ বরবটি  অনেক  ভাবে খাওয়া যায়৷ জলপাইয়ের তেলে সামান্য ভেজে খেতে দারুণ স্বাদ লাগে এই সবজি৷ তাছাড়া পুষ্টিগুণ সম্পন্ন সবুজ সবজির মধ্যে বরবটি একটি, যা অল্প খেলেই পেট ভরে যায় ৷ অর্থাৎ বাড়তি মেদ হবার কোনো সুযোগ নেই বলে ফিট ও সুন্দর থাকা যায় সহজেই!
সালাদ পাতা

বিভিন্ন সবুজ সালাদ বা লেটুস পাতায় রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা তারুণ্য ধরে রাখতে সহায়তা করে ৷ সবজিতে থাকা ভিটামিন সি এবং ই সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে আপনাকে রক্ষা করতে সাহায্য  করে থাকে৷ তাছাড়া শাক বা সালাদ পাতা খাবার সাজানোর জন্যও ব্যবহার করা যায়, যা দেখতে সুন্দর তো লাগেই, খাবারে রুচিবারাতে সাহায্য করে ৷তবে শাক-সবজির ক্ষেত্রে সবচেয়ে যেটা জরুরি হলো, একে হতে হবে একদম টাটকা৷ তা না হলে স্বাদে এবং গুণে হেরফের হবেই৷

ফরমালিন মুক্ত শাক সবজি খান।
আল্লাহ হাফেজ 

রাতে কেন হালকা খাবার খাবেন?

হালকা খাবার

সকালে খাবেন রাজার মতোদুপুরে খাবেন প্রজার মতোআর রাতে খাবেন ভিক্ষুকের মতো’—এমন প্রবাদ নিশ্চয়ই শুনেছেন? বিশেষজ্ঞরা বলেন, শরীর ভালো রাখতে রাতে হালকা খাবার খাওয়া অনেক উপকারীএ অভ্যাস শরীরের অনেক সমস্যা প্রতিরোধে করতে সাহায্য করে
২০১৩ সালে জার্নাল ওবেসিটির প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, শরিরের বাড়তি ওজন নিয়ন্ত্রণে খাবারের জন্য সঠিক সময় নির্বাচন বেশ বড় ভূমিকা পালন করে থাকে যাঁরা ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চান,  এ বিষয় তাঁদের খেয়াল রাখা উচিতবিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে,  লাইফস্টাইল-বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে রাতে হালকা খাবার খেলে কী উপকার হয়, সে কথা। আজ আমরা জানবঃ 
হজম ভালো করে
রাতে ভারী খাবার খেলে হজমে গণ্ডগোল করতে পারেহালকা খাবার হজম সহজে হয়ে যায় এবং আরামদায়ক হয় পেটের জন্য রাতে হালকা খাবার খাওয়া বুক জ্বালা-পোড়া, এসিডিটি, পেট ফোলা ভাবের, সমস্যা রোধে সাহায্য করেরাতে হজমের সমস্যা হলে  পরবর্তী দিনের কার্যক্রমের ওপর বাজে প্রভাব ফেলেতাই রাতে তাড়াতাড়ি খাবার খাওয়া এবং হালকা খাবার খাওয়া  পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা
ভালো ঘুমের জন্য
ভারী খাবার রাতে না খাওয়াই ভালোঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় এটি বিশেষজ্ঞরা বলেন, ভালো ঘুমের জন্য রাতে ভারী খাবার, ঝালযুক্ত খাবার এবং ক্যাফেইন (চা, কফি) জাতীয় খাবার এইসব এড়িয়ে যাওয়াই ভালোদেহের হরমোনকে শিথিল করতে সাহায্য করে হালকা খাবার 
মেদ কম জমায়
আপনি যদি শরীরে চর্বি কম জমাতে চান তাহলে রাতে হালকা খাবার খাওয়া ভালোআপনি যদি ভুল খাবার ভুল সময়ে খান, তবে এটি মেদ বাড়িয়ে দিতে পারেবিশেষজ্ঞরা বলেন, যেহেতু রাতে আমরা কম কাজ করি, নড়াচড়া কম করি, তাই ভারী খাবার খেলে ক্যালরি কম পোড়ে
শর্করার মাত্রা ঠিক রাখে
রক্তের শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে হালকা খাবার খাওয়া উচিতএটি রাতের বেলার হাইপোগ্লাইসেমিয়া নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে
শক্তি বাড়ায়
রাতে হালকা খাবার খাওয়া  রাখে মেজাজ ঠিক এবং  মস্তিষ্কের কার্যক্রমকে ভালো রাখতে সাহায্য করেবিশেষজ্ঞরা বলেন, রাতে তাড়াতাড়ি খাওয়া এবং হালকা খাবার খাওয়া পরবর্তী দিনের জন্য শরীরে শক্তি জোগাতেও সাহায্য করে
আজ এই পর্যন্তই। আল্লাহ হাফেজ। 

পেঁয়াজ কি সত্যিই চুলপড়া বন্ধ করে?

আমদের মধ্যে অনেকেই চুলপড়ার সমস্যায় ভোগে থাকেনতবে দিনে পঞ্চাশ থেকে একশ টি  চুল পড়াকে স্বাভাবিক হিসেবে ধরে নেওয়া হয়চুলপড়া কারো কারো ক্ষেত্রে মানসিক চাপের কারনেও হতে পারেঅনেকের আত্মবিশ্বাসও কমে যায় এর কারনে।  
চুলপড়া প্রতিরোধ করতে অনেকেই অনেক ধরনের ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকেএর মধ্যে পেঁয়াজের রসের ব্যবহার অন্যতম একটি বিশেষ  পদ্ধতিতবে পেঁয়াজের রস কি আসলেই চুলপড়া রোধ করে, চুল গজাতে সাহায্য করে? বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডাইজেস্ট জানিয়েছে এর উত্তরআসুন জানি আসলে কী হয় পেঁয়াজের রস চুলে ব্যবহার করলে
বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন, চুলে পেঁয়াজের রস ব্যবহার করা অনেক ভালো প্রাকৃতিক পদ্ধতিকোনো ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া পেঁয়াজ চুলপড়া প্রতিরোধ করে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে
বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বলা হয়, পেয়াঁজ চুলপড়া নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করেপাশাপাশি এটি চুলের বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করেযেমন : খুশকি, ছত্রাক,  সংক্রমণ ইত্যাদিচুলে পেঁয়াজের রসের ব্যবহার অকালে চুল পাকা রোধেও সাহায্য করে থাকে
পেঁয়াজের রসের গুণ
অনেকের মনেই প্রশ্ন আসে, আসলেইপেঁয়াজ কীভাবে এই বিষয়গুলোতে সাহায্য করে? 
বিশেষজ্ঞরা বলেন, পেঁয়াজে ভালো মাত্রায় সালফার উপাদান রয়েছেযখন পেঁয়াজের রস লাগানো হয় তখন মাথায় রক্তসঞ্চালন বাড়েসালফার কোলাজেন টিস্যুর উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করেএই টিস্যু চুল গজানোর জন্য প্রয়োজনএ ছাড়া রক্ত সঞ্চালন বাড়লে স্ক্যাল্পের ফলিকল পুষ্টি পায়এটি নতুন  চুল গজাতে সাহায্য করে
সালফারের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদানএটি ফাঙ্গাস, ব্যাকটেরিয়া- এগুলোকে প্রতিরোধ করেফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ অনেক সময় চুলপড়ার জন্য দায়ী হয়পেঁয়াজের রস চুল মজবুত করতে সাহায্য করে; চুল ভাঙ্গা ও চুল পাতালা হওয়া প্রতিরোধ করেতাই পেঁয়াজের রস নিয়মিত ব্যবহার করলে চুলপড়া প্রতিরোধ হয়
তবে চুল পড়ারও বিভিন্ন কারণ রয়েছেএর মধ্যে খাবারদাবার, জীবনযাপনের ধরন বা জিনগত কারণ  ইত্যাদি রয়েছেবিশেষজ্ঞরা বলেন, চুলপড়া রোধে অনেক সময় ওষুধও দরকার হয়তবে বেশির ভাগ চুলপড়া প্রতিরোধে পেঁয়াজের রস মাখার এই ঘরোয়া পদ্ধতিটি বেশ কার্যকরী
Collect: Internet

কালি জিরার উপকার




 সব রোগের মোহা ঔষুধ হচ্ছে  কালি জিরা। আজকে কালো জিরার  কিছু উপকার সম্পর্কে আপনাদের জানাব। আসুন জেনে নেই কালি জিরার উপকার ও স্বাস্থ্যগুনঃ

  • খাবারে অরুচি, শরীর ব্যথা, গলা ব্যথা, চুলপড়া, সর্দি, দাঁতের ব্যথা, মাইগ্রেন, কাশি,উদরাময়,  হাঁপানি নিরাময়ে কালিজিরা সাহায্য করে। ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসাবে কালিজিরা সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।
  •  মাথাব্যথা,  চুলপড়া, অনিদ্রা,  মুখশ্রী ও সৌন্দর্য রক্ষা, মাথা ঝিমঝিম করা,অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্কিয়তা ও অলসতা,  মস্তিষ্কশক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়াতেও কালোজিরা উপযোগী।
  •  মাথা ব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তি স্থানে দৈনিক তিন চার বার কালোজিরা তেল মালিশ করলে উপকার পাওয়া যায়।
  • প্রতি দিন চায়ের সাথে নিয়মিত কালোজিরা মিশিয়ে অথবা এর তেল বা আরক মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার হয়, তেমনি মেদ ও বিগলিত হয়।
  •  মধুসহ প্রতিদিন সকালে কালোজিরা সেবনে স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও সকল রোগ মহামারী হতে রক্ষা পাওয়া যায়।
  •  জ্বর,গায়ের ব্যথা, কফ  দূর করার জন্য কালিজিরা যথেষ্ট উপকারী বন্ধু। এতে রয়েছে ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান। পেটের যাবতীয় রোগ-জীবাণু ও গ্যাস দূর করে ক্ষুধা বাড়ায় কালো জিরা ।
  • সন্তান প্রসবের পর কাঁচা কালিজিরা পিষে খেলে শিশু দুধ খেতে পাবে বেশি পরিমাণে।
  • কালিজিরায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোরিয়াল­ এজেন্ট, অর্থাৎ শরীরের রোগ-জীবাণু ধ্বংসকারী উপাদান। এই উপাদানের জন্য শরীরে সহজে ঘা, ফোড়া, সংক্রামক রোগ (ছোঁয়াচে রোগ) হয় না।
  •  কালিজিরা মেধার বিকাশের জন্য কাজ করে দ্বিগুণ হারে। কালিজিরা নিজেই একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক।
  • দাঁতে ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে কালিজিরা দিয়ে কুলি করলে ব্যথা কমে; জিহ্বা, তালু, দাঁতের মাড়ির জীবাণু মরে।
  •  মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্মরণ শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।

  •  কালিজিরা কৃমি দূর করার জন্য কাজ করে।
  •  দেহের কাটা-ছেঁড়া শুকানোর জন্য কাজ করে।
  •  কালোজিরার যথাযথ ব্যবহারে দৈনন্দিন জীবনে বাড়তি শক্তি অজির্ত হয়। এর তেল ব্যবহারে রাতভর প্রশান্তিপর্ন নিদ্রা হয়।
  •  প্রস্রাব বৃদ্ধির জন্য কালিজিরা খাওয়া হয়।
  •  বহুমুত্র রোগীদের রক্তের শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং নিম্ন রক্তচাপকে বৃদ্ধি করে ও উচ্চ রক্তচাপকে হ্রাস করে।
helthbarta.com

কাচা মরিচের উপকার

কাচা মরিচের উপকার



যাদের  প্রতি দিন  ভাতের সাথে  কাঁচা মরিচ না খেলে চলে  না তাদের জন্য সুখবর হচ্ছে কাঁচা মরিচ স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। মরিচকে ঝাল বানায় এর বিশেষ উপাদান ক্যাপসাইকিন। আমরা কাঁচা মরিচ সাধারণত কাঁচা, রান্না কিংবা বিভিন্ন ভাজিতে দিয়ে খেয়ে থাকি। এতে আছে ভিটামিন এ, সি, বি-৬, আয়রন, পটাশিয়াম এবং অল্প  পরিমাণে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট। 

ঝাল স্বাদের সব্জিগুলোতে থাকে বিটা ক্যারোটিন ও আলফা ক্যারোটিন, বিটা ক্রিপ্টোক্সানথিন ও লুটেইন জিয়াক্সানথিন ইত্যাদি উপাদান। এই উপাদান গুলো মুখে লালা আনে ফলে আমরা  খেতে মজা লাগে। এছাড়াও এগুলো ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। আসুন দেখে নেই কাঁচা মরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো।
কাঁচা মরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতাঃ 

  • গরম কালে কাঁচা মরিচ খেলে ঘামের মাধ্যমে শরীর ঠান্ডা থাকে।
  • প্রতি দিন অন্তত একটি করে কাঁচা মরিচ খেলে রক্ত জমাট বাধার ঝুঁকি কমে যায়।
  • নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে হৃদপিণ্ডের অনেক সমস্যা কমে যায়।
  • কাঁচা মরিচ মেটাবলিসম বাড়িয়ে ক্যালোরি পোড়াতে সাহায্য করে।
  • কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিটা ক্যারোটিন আছে যা কার্ডোভাস্ক্যুলার সিস্টেম কে কর্মক্ষম রাখে।
  • প্রতিদিন কাঁচা মরিচ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
  • কাঁচা মরিচ রক্তের কোলেস্টেরল কমায়।
  • কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন এ যা হাড়, দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখতে অনেক সহায়তা করে।
  • কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন C আছে যা মাড়ি ও চুলের সুরক্ষা করে।
  • প্রতিদিন কাঁচা মরিচ খেলে নার্ভের বিভিন্ন সমস্যা কমে।
  • প্রতিদিন খাবার তালিকায় অন্তত একটি করে কাঁচা মরিচ রাখলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না।
  • কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন সি। তাই যে কোনো ধরণের কাটা-ছেড়া কিংবা ঘা শুকানোর জন্য কাঁচা মরিচ খুবই উপকারী।
  • কাঁচা মরিচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি শরীরকে জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে। 

এছাড়াও কাচা মরিচের অনেক গুন রয়েছে। তাই আসুন আমরা নিয়মিত কাচা মরিচ খাবার অভ্যাস গরে তুলি।

আজ এই পর্যন্তই।